প্রবন্ধ রচনা চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞান - বাংলা রচনা বিজ্ঞান

প্রিয় পাঠক আপনি কি বাংলা রচনা চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞান খুঁজে বেড়াচ্ছেন। যদি কোথাও মন মত খুঁজে না পেয়ে থাকেন। তাহলে আমাদের পোস্টটি পড়ে দেখে নিতে পারেন। কারণ আজকের পোস্টটিতে আমরা চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞান বাংলা রচনা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
প্রবন্ধ রচনা চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও বাংলা রচনা বিজ্ঞান
বর্তমানে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞান আমাদের বাস্তব জীবনে অভাবনীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আর এই বিজ্ঞান সম্পর্কে আমাদের জেনে নেয়া উচিত যে এটি চিকিৎসা ক্ষেত্রে কি কি ভূমিকা পালন করে। জানতে হলে অবশ্যই পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। এই রচনায় চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিজ্ঞান সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। যা আপনারা পড়ে ক্লাস ১০ , ৯ , ৮ পরীক্ষায় লিখতে পারবেন।

ভূমিকা 

শাব্দিক অর্থে জ্ঞানই হলো বিজ্ঞান। মানব কল্যাণে বিজ্ঞানের অবদান যে কত ব্যাপক তা প্রতিদিনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা থেকে অনুভব করা যায়। চিকিৎসা জগতে বিজ্ঞান আজ যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। বিজ্ঞান চিকিৎসাক্ষেত্রে নব আশীর্বাদরূপে আবির্ভূত হয়েছে। স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য চাই উন্নততর চিকিৎসাব্যবস্থা।

তাই চিকিৎসাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তনের মাধ্যমে বিজ্ঞান মানুষের স্বাস্থ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। মানুষ দুরারোগ্য ও জটিল সব রোগ থেকে মুক্তি পাচ্ছে, নতুনভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে, চিকিৎসাবিজ্ঞানের আশীর্বাদে মানুষ সুখে-স্বাচ্ছন্দে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা পাচ্ছে।

সনাতন চিকিৎসাব্যবস্থা

প্রাচীন চিকিৎসাবিদ্যার শুরু আজ থেকে কয়েক হাজার বছর আগে। আদিম মানুষ রোগবালাই ও অন্যান্য দুর্যোগকে স্রষ্টার অভিশাপ, শরীরে ভূতপ্রেতের অশুভ আছর বা দুষ্টগ্রহের কুপ্রভাবের ফল মনে করত। সে সময় মানুষ রোগমুক্তির জন্য বিভিন্ন ধরনের কবিরাজি ওষুধ, গাছ-গাছালি, দোয়া, তাবিজ-কবজ, পানিপড়া ইত্যাদির ওপর নির্ভর করত। 

সনাতন পদ্ধতিতে চিকিৎসা ও উপশম কৌশল উদ্ভিদ, প্রাণী ও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের প্রথাগত ব্যবহার ও সাংস্কৃতিক আচরণ, সামাজিক সংস্কার, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং অনেকক্ষেত্রে বর্তমান ও পূর্ববর্তী প্রজন্মের বিভিন্ন কুসংস্কারের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। বস্তুত সে সময়ে চিকিৎসাক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি না থাকায় জটিল রোগ নির্ণয় করা ছিল দুঃসাধ্য। 

ফলে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসাব্যবস্থার অভাবে মানুষ বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হতো এবং সুচিকিৎসার অভাবে মারা যেত অনেকে। পরবর্তী কালের মানুষ চিকিৎসাবিদ্যার অনেক উন্নতি ঘটায় এবং বিভিন্ন দ্রব্যাদি রোগের নিরাময়ে ব্যবহার করে।

আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থার সূচনা

সনাতন স্বাস্থ্যসেবায় ইউনানি পদ্ধতির উৎপত্তি গ্রিসে, সেখানে উনান প্রদেশে এ পদ্ধতির প্রথম প্রচলন ও উন্নয়ন ঘটে বলে একে ইউনানি পদ্ধতি বলে। এ চিকিৎসা ব্যবস্থাকে প্রথম পরিচিত করে তোলেন গ্রিসের হাকিম ইসকালিবাস। আর এলোপ্যাথিক চিকিৎসার প্রচলন হয় ব্রিটিশ আমলে। আধুনিক চিকিৎসার ধ্যান-ধারণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিজ্ঞান বিশেষ ভূমিকা পালন করে। বিজ্ঞানের অবদানে আবিষ্কৃত হয় চিকিৎসাক্ষেত্রে নতুন নতুন পদ্ধতি ও রোগ নির্ণয়ের নতুন 'নতুন যন্ত্রপাতি। 

এসব যন্ত্রের সাহায্যে জটিল সব রোগ নির্ণয় করা সম্ভবপর হয়েছে আধুনিক যুগে। বিজ্ঞানের অবদান আধুনিক যুগে সনাতন ও লোকজ চিকিৎসার পরিবর্তে হোমিওপ্যাথিক, অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার প্রবর্তন হয়েছে। ফলে বিজ্ঞানের এ যুগে মানুষ ক্রমেই প্রাচীনকালের মতো লোকজ ও সনাতন অপ্রচলিত পদ্ধতি, ধর্মীয় বিশ্বাস ও সামাজিক সংস্কারের ওপর নির্ভর না করে আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থার সুফান পেতে থাকে। 

অতীতের গুটিবসন্ত, প্লেগ জাতীয় কঠিন সব রোগ ও মহামারীর হাত থেকে মানুষ মুক্তি পেয়েছে আধুনিক চিকিৎসার বদৌলতেই। বিজ্ঞানের অবদানেই পেনিসিলিন, ক্লোরোমাইসিন ইত্যাদি কঠিন ব্যধির ওষুধ আবিষ্কৃত হয়েছে। তাই আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থার সূচনায় বিজ্ঞানের অবদান অনস্বীকার্য।

চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের সাফল্য 

বিংশ শতাব্দীর পূর্বে চিকিৎসা পদ্ধতি ততটা উন্নত ছিল না। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নতির ফলেই আজ মানুষের গড় আয়ু ৫০-৭০ বছর এসে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির পরিসংখ্যান নিলে আমরা স্পষ্ট দেখতে পাই যে মানবসভ্যতার বিগত সাত- আট হাজার বছরের ইতিহাসে চিকিৎসা শাস্ত্রের যে উন্নতি সাধিত হয়েছে তার সিংহভাগই হয়েছে ১৯২০ থেকে বর্তমান পর্যন্ত। 

যেখানে গত শতাব্দীতেও বসন্ত, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড, নিউমোনিয়া প্রভৃতি রোগে বিশ্বের হাজার হাজার মানুষের জীবনাবসান ঘটেছে, সেখানে বিংশ শতাব্দীতে বিজ্ঞানের অপরাপর শাখার মতো চিকিৎসাক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সাধিত হওয়ায় এসব মহামারির নিয়ন্ত্রণ যেমন সহজ হয়েছে তেমনি মানুষ এসব জটিল রোগের হাত থেকেও রক্ষা পেয়েছে অতি সহজে।

চিকিৎসা জগতে বিজ্ঞান 

চিকিৎসা জগতে বিজ্ঞান আজ যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। দুরারোগ্য ব্যধিতে মৃত্যুর সংখ্যা আজ হ্রাস পেয়েছে। স্ট্রেপটোমাইসিন, পেনিসিলিন, এক্স-রে প্রভৃতি আজ মৃত্যুপথযাত্রীকে দান করেছে নিশ্চিত বিশ্বাস ও আশা। কর্নিয়া (অক্ষিগোলকের স্বচ্ছ আবরণ), বৃক্ক, অস্থিমজ্জা, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস এবং যকৃতের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপনে চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাম্প্রতিক সাফল্য অভাবনীয়। বিজ্ঞানে এ সবের সাফল্যের গোড়াতেই রয়েছে চিকিৎসাক্ষেত্রের সাফল্য। 

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হচ্ছে: কালা জ্বরের জীবাণু আবিষ্কার (১৯০০), সহযোগী হৃৎপিণ্ড আবিষ্কার (১৯০৮) কোলেস্টেরল (১৯১২) ও পেনিসিলিন (১৯২৮) হার্টের পেসমেকার (১৯৫৩), ওপেন হার্ট সার্জারি ও হার্টের বাইপাস সার্জারিতে প্রয়োজনীয় হার্টলাং মেশিন তৈরি ইত্যাদি। এছাড়া যে আল্ট্রাসনিক স্ক্যানিং এর মাধ্যমে শরীরের ভেতরের যকৃত, পিত্তথলি, কিডনি ইত্যাদির অবস্থা নির্ণয় করা যায় তা আবিষ্কার বিশ শতকের চিকিৎসা বিষয়ক বিজ্ঞানের উন্নতির এক চরম সাফল্য। অপারেশন দ্রুত করার জন্য লেজার সার্জারি আবিষ্কার, তাছাড়া সিটি স্ক্যান আবিষ্কারের কারণে রোগীর শরীরে সরু রশ্মি প্রবেশ করিয়ে টিস্যুর ঘনত্ব নির্ণয় করার রোগ নির্ণয়ে সহায়ক হয়েছে। 

এন্ডোস্কোপ (১৯৬৫) আবিষ্কারের ফলে পাকস্থলীর মধ্যে নল ঢুকিয়ে চিকিৎসা করা যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে ফাইবার অপটিক্স (আলোকতন্তু বিদ্যা) ব্যবহারের ফলে মানবদেহের অভ্যন্তরস্থ ফুসফুস, পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, উদর, অস্থিগ্রন্থি, শিরা, ধমনী ইত্যাদির অবস্থা যন্ত্রের সাহায্যে অবলোকন করে নির্ভুলভাবে রোগ নির্ণয়ের জন্যে নমুনা সংগ্রহ করা যায়। অতিকম্পনশীল শব্দ ও লেজারকে কাজে লাগিয়ে বিজ্ঞান চিকিৎসাক্ষেত্রে বিপ্লব সাধন করেছে। 
এর ফলে শরীরের - অভ্যন্তরীণ অঙ্গ যেমন দেখা সম্ভব হচ্ছে তেমনি মূত্রথলি ও পিত্তকোষের পাথর চূর্ণ করার কাজেও এর সফল ব্যবহার হচ্ছে। আধুনিক কন্টাক্ট লেন্স (১৯৫৬), ঘাতক ব্যাধি এইডসের জীবাণু আবিষ্কার (১৯৮৪), তাছাড়া ১৯৭৮ সালে প্রথম টেস্টটিউব লুইস ব্রাউন নামক শিশুর জন্ম, ১৯৯৭ সালে পূর্ণাঙ্গ ভেড়ার দেহকোষ থেকে ডলির জন্মগহণ নিঃসন্দেহে চিকিৎসাবিজ্ঞান উন্নয়নের অনবদ্য সাফল্যের সোনালি স্বাক্ষর।

রোগ নির্ণয়ে বিজ্ঞান

রোগ নিরাময়ের পূর্বশর্ত রোগ নির্ণয়। সঠিক রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমেই রোগের সঠিক ওষুধ প্রয়োগ করা সম্ভব। সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে না পারলে সুচিকিৎসা করা সম্ভব নয়। তাই রোগ নির্ণয়ে চিকিৎসাক্ষেত্রে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছে বিজ্ঞান। 

চিকিৎসা বিজ্ঞানে আবিষ্কার 

রঞ্জন রশ্মি, এক্স-রে, ইসিজি, সিটি স্ক্যান, মাইক্রোস্কোপ,  আল্টাসনোগ্রাফি, এমআরআই ইত্যাদি যন্ত্রপাতির মাধ্যমে শরীরে পরীক্ষা চালিয়ে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে। আর এসবই বিজ্ঞানের না। অবদান। কম্পিউটার প্রযুক্তি চিকিৎসাবিজ্ঞানকে নিয়ে এসেছে সর্বাধুনিক পর্যায়ে।

রোগ প্রতিরোধে বিজ্ঞান

রোগ নিরাময়ের চেয়ে রোগ প্রতিরোধই গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং কোনে বিষয়। রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর্বেই তা প্রতিরোধ করতে সক্ষম হলে ভোগান্তি থেকে রক্ষণ পাওয়া যায়। আবির্ভাবে রোগ-প্রতিরোধের জন্য নানা ধরনের পন্থা আবিষ্কৃত হাইওয়েটেল হাম। যক্ষ্মা হুপিং কাশি, ধনুষ্টংকার, বসন্ত, বলগেরিয়া ইত্যাদি জটিল রোগগুলো প্রতিরোধের জন্য প্রতিষেধক টিকার ব্যাবস্থা হয়েছে। বিজ্ঞানের বদৌলতেই এসব সম্ভব হয়েছে।

রোগ নিরাময়ে বিজ্ঞান

বিজ্ঞানের আশীর্বাদে বিশ্বমানবতা কখনোও উল্লাসিত হয়, আবার অনেক সময় তার বিভীষিকাময় রূপে বিশ্বসভ্যতা থমকে দাঁড়ায়। কিন্তু চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান এনেছে শুধু আশীর্বাদ আর আশীর্বাদ।'- কিপলিং। আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থা বিজ্ঞানের আশীর্বাদেই সম্ভব হয়েছে। রোগ নিরাময়ের আধুনিক সব ওষুধ আবিষ্কৃত হয়েছে। বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতির ফলেই পেনিসিলিন, স্ট্রেপটোমাইসিন, ক্লোরোমাইসিন ও ইউরিয়া ইত্যাদি মহৌষধের আবিষ্কার হয়েছে। 

এছাড়াও সর্দিজ্বর, কাশি, মাথাব্যথা, জন্ডিস, পেপটিক আলসার ইত্যাদি ছোটখাটো যেসব রোগ, যা প্রতিনিয়তই মানুষের জীবনে লেগে আছে তারও অনেক প্রকার ওষুধ বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে। বিজ্ঞানের আশীর্বাদেই মানুষ আজ জটিল সব রোগ থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে পেয়েছে। কঠিন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিও রোগমুক্তি লাভের আশার আলো দেখছে। অধ্যাপক কুরি ও মাদাম কুরির আবিষ্কৃত রেডিয়াম ব্যবহার করে দুরারোগ্য ক্যন্সার রোগেরও চিকিৎসা করছেন চিকিৎসকরা। 

প্লাস্টিক সার্জারি করে মানুষের শরীরের আকৃতি বা চেহারা পরিবর্তনের মতো দুঃসাধ্য কাজও সম্ভব হচ্ছে বিজ্ঞানের আশীর্বাদে। এমনকি কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গও সংযোজন করা হচ্ছে মানবদেহে। আজকাল জেনেটিক রহস্য উদঘাটনের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন দুরারোগ্য ব্যাধি শনাক্ত ও চিকিৎসা আবিষ্কারের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। 

ক্লোনিং পদ্ধতিও চিকিৎসাক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম রক্ত, প্রোটিন প্রভৃতি আবিষ্কারেরও চেষ্টা করছেন। টেস্ট টিউব বেবির জন্মদান বাংলাদেশেও প্রচলিত হয়েছে। মোটকথা, চিকিৎসা বিজ্ঞানে অসম্ভব বলে আর কিছুই থাকছে না।

চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের গুরুত্ব 

চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। অনেক অসাধ্য ও দুঃসাধ্য রোগ নির্ণয় ও তার চিকিৎসাপদ্ধতি আবিষ্কার করেছে বিজ্ঞান। মানুষের জন্যই বিশ্ব। সুস্থ-সবল মানুষই জাতিকে উন্নতির দিকে ধাবিত করে। বিজ্ঞান যদি চিকিৎসা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন না আনত তাহলে কঠিন সব রোগ-ব্যাধি থেকে মানুষ মুক্তি পেত না। কিন্তু বিজ্ঞান মানুষকে সচল রাখছে। মানুষের জীবনে সুখ-শান্তি বয়ে এনেছে বিজ্ঞান।

উপসংহার

মানুষ বিজ্ঞানের কল্যাণে আজ প্রকৃতির ওপর আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম হয়েছে। যে জীবন ধারণের জন্য মানুষের মাঝে বাঁচার আশা জাগিয়েছে। একদেশে চিকিৎসার সুব্যবস্থা না থাকলে অন্যদেশে ছুটে চলেছে উন্নত চিকিৎসার আশায়। হয়ত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন হচ্ছে অর্থের, তবুও চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার ফলে মানুষ অকাল- মৃত্যুকে অনেকটাই রোধ করতে সক্ষম হয়েছে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

লিংক বাংলার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url